Posts

Showing posts from February, 2013

মালির কাজে কসাই কাদের

মিরপুরের কসাই’ হিসেবে পরিচিত আব্দুল কাদের মোল্লা কারাগারে বাগানে মালীর কাজ করবেন। যুদ্ধাপরাধের মামলায় যাবজ্জীবন সাজার আদেশ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার এই জামায়াত নেতাকে কাশিমপুর কারাগারে নেয়া হয়। তাকে রাখা হয়েছে গাজীপুরে কাশিমপুরের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের পার্ট-২ এ সাধারণ কয়েদির সেলে, যা ‘ষাট সেল’ নামে পরিচিত। কাশিমপুরের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের পার্ট-২ এর জ্যেষ্ঠ কারা তত্ত্বাবধায়ক মো. জাহাঙ্গীর কবির শনিবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত কাদের মোল্লাকে ফুল বাগান পরিচর্যার কাজ দেয়া হয়েছে। বন্দিকে কারাগারে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী শারীরিক সামর্থে্যর ওপর ভিত্তি করে কাজ দেয়া হয় বলে জানান তিনি। ‘ষাট সেল’র ভেতরে ফুল বাগানে মালীর কাজ করবেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল। কাদের মোল্লা মানবতাবিরোধী অপরাধে গ্রেপ্তার হওয়ার পর ২০১০ সালের ১৯ জুলাই তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়। সেখান থেকে ২০১১ সালের ২৪ জুন তাকে কাশিমপুর পাঠানো হয়। রায়ের আগে তাকে ঢাকায় নেয়া হয়। রায়ের দুদিন পর পুনরায় তাকে কাশিমপুরে ফেরত পাঠা...

যুদ্ধপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ দিল্লিতে

ঢাকার শাহবাগের তারুণ্যের গণজাগরণ ছুঁয়ে গেছে প্রতিবেশী দেশ ভারতেও। শুক্রবার যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন নয়া দিল্লিতে অবস্থানরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা। নয়া দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে এই কর্মসূচি পালিত হয়। এ সময় অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবি সম্বলিত ব্যানার, ফেস্টুন। কাদের মোল্লাসহ সব যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি এবং ৭১-এ স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী দল জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবিও এসেছে এই কর্মসূচিতে।  সাউথ এশিয়ান ইউনিভার্সিটি, জওহরলাল নেহেরু ইউনিভার্সিটিসহ কমপক্ষে ৪০ জন এতে অংশ নেন। সন্ধ্যায় মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি শেষ হয়। এর আগে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি এবং জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে হাইকমিশনারের কাছে স্মারকলিপি দেন উচ্চ শিক্ষার্থে ভারতে থাকা এই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা। যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে গত মঙ্গলবার কাদের মোল্লাকে যাবজ্জীবন সাজা দেয়া হয়।  ওই রাঘ ঘোষণার দিন থেকেই কাদেরের ফাঁসি চেয়ে ঢাকার শাহবাগে টানা বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি...

গতকালও ফাঁসির দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলন চলেছে

কাদের মোল্লাসহ একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে শুধু রাজধানীর শাহবাগ নয়, আন্দোলন চলছে সারা দেশেই। শাহবাগের সুরে সুর মিলিয়েছেন সারা দেশের মানুষ। গতকাল শনিবারও বাগেরহাট, গোপালগঞ্জ, পাবনা, চাটমোহর, লালমনিরহাট, শ্রীপুর, গোয়ালন্দ, নবীনগর, পঞ্চগড়, শ্রীপুরে চলছে আন্দোলন। আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক, আঞ্চলিক কার্যালয় ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে জানা গেছে,  বাগেরহাট দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সামনে সব আলবদর, রাজাকারের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে। মহিলা পরিষদ কর্মসূচির আয়োজন করে। তারা প্রথমে বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করে। পরে তাদের সঙ্গে একাত্মতা জানিয়ে সিপিবি, ছাত্রলীগ ও ছাত্র ইউনিয়ন যোগ দেয়। তারা শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। গত বৃহস্পতিবার থেকে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ডাকে স্বাধীনতার সপক্ষের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন নাগরিক মঞ্চের ব্যানারে বাগেরহাট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আন্দোলন কর্মসূচি শুরু করেছে।  গোপালগঞ্জ গোপালগঞ্জেও গতকাল শনিবার যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ ও মিছিল করছেন বিভিন্ন কলেজের...

আপিলের সুযোগ সংযোজন করতে চাইছি: কামরুল

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে সংক্ষুব্ধ হলে আপিলের সুযোগ সংযোজনের বিষয়ে সরকার চিন্তাভাবনা করছে বলে আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন। আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ দেশে ফেরার পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। আজ শনিবার আইন প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানিয়েছেন বলে এবিসি রেডিওর খবরে বলা হয়। ৫ ফেব্রুয়ারি মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন সাজার রায় হয়। যাবজ্জীবন নয়, তাঁর ফাঁসির দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে ওই দিন বিকেল থেকে গড়ে ওঠে দুর্বার আন্দোলন। সময় যত গড়াচ্ছে, সাধারণ মানুষ এই আন্দোলনে তত বেশি সম্পৃক্ত হচ্ছে।  গতকাল মহাসমাবেশে লক্ষাধিক মানুষের সামনে দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। একাত্তরের মানবতাবিরোধীদের সর্বোচ্চ সাজা ফাঁসি নিশ্চিত করতে মহাসমাবেশ থেকে ট্রাইব্যুনালের আইন সংশোধনসহ বেশ কয়েকটি দাবি জানানো হয়। এমন পরিস্থিতিতে আইন প্রতিমন্ত্রী আজ এ কথা জানালেন।  আইন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পূর্ণাঙ্গ রায়ের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ হলে আপিল করার সুযোগ পাবে—এ কথাটা সং...

চট্টগ্রামে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা কোণঠাসা

চট্টগ্রামে আজ শনিবার চতুর্থ দিনের মতো কাদের মোল্লাসহ সব যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির দাবিতে নগরের রাজপথে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন তরুণেরা। জামায়াতের হরতাল উপেক্ষা করে আজ সকাল ১০টা থেকে এই কর্মসূচি শুরু হয়। আবৃত্তি, গণসংগীত, বক্তৃতা আর স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে নগরের জামালখান প্রেসক্লাব চত্বর। এ সময় ‘কাদের মোল্লার ফাঁসি চাই’, ‘জামাতের হরতাল মানি না মানব না’ স্লোগান তোলেন তরুণেরা। প্রতিদিন বেলা তিনটায় কর্মসূচি শুরু হলেও হরতালের কারণে আজ সকালেই কর্মসূচি শুরু করা হয়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অনলাইন ব্লগারদের উপস্থিতি বেড়েই চলেছে।  সংস্কৃতিকর্মী, রাজনৈতিক কর্মী, লেখক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ এতে অংশ নিয়েছেন। সবার মুখে একটাই দাবি—‘ফাঁসি চাই’। এদিকে, হরতালে চট্টগ্রাম নগরের কোথাও জামায়াত-শিবিরের কর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়নি।

প্রজন্ম চত্বরে শাহরিয়ার নাফিস

যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি চাই’, ‘কাদের মোল্লার ফাঁসি চাই’ শাহবাগ প্রজন্ম চত্বরের প্রতিবাদের এই ধ্বনি পুরো দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। পাঁচ দিন ধরে চলা লাখো জনতার এই স্লোগানে একাত্ম হয়েছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার শাহরিয়ার নাফিস। প্রতিবাদের আগুনের আঁচে প্রতিবাদী হয়ে ওঠেন বিপিএলের খুলনা রয়েল বেঙ্গলসের এই ক্রিকেটারও। আজ শনিবার রাতে কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবিতে বিক্ষুব্ধ জনতার মঞ্চে গিয়ে তিনি সংহতি জানান। যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে কণ্ঠ মেলান এই বাঁহাতি ওপেনার। এ সময় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে তিনিও স্লোগান ধরেন, ‘জয় বাংলা’, ‘কাদের মোল্লার ফাঁসি চাই’, ‘সব যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি চাই’।  এ ছাড়া বাংলাদেশ জাতীয় দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমসহ আরও ক্রিকেটার শাহবাগে যেতে পারেন বলে জানা গেছে।

শাহবাগ চত্বর এখন আলোর মোহনা

Image
শাহবাগ চত্বর এখন আলোর মোহনা। চারদিকে চার রাস্তা। মত্স্য ভবন, এলিফেন্ট রোড, বাংলামোটর ও টিএসসির ঠিক মাঝখানে প্রজন্ম চত্বরের মূল মঞ্চ। চার রাস্তাজুড়ে জ্বলছে মোমবাতি। মোমবাতি দিয়ে লেখা হয়েছে ‘৭১’। মোমবাতি জ্বালিয়ে আজ শুরু হয়েছে শাহবাগের রাতের কর্মসূচি। বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার সামনে টাঙানো হয়েছে প্রায় ১০০ মিটারের মতো লম্বা বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। ‘৭১’-কে যেন ধারণ করে আছে ওই পতাকা। স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতাকে। পতাকার পাশেই চলছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। নাটক আর গানের মধ্য দিয়ে চলছে প্রতিবাদ। কাদের মোল্লাসহ একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে শাহবাগে সর্বস্তরের মানুষের অবস্থানের পঞ্চম দিন আজ। সেখানে অনেকে আছেন যাঁরা এই ফাঁসির দাবিতে এসে আর ঘরমুখো হননি। নাওয়া-খাওয়া ভুলে শাহবাগে পড়ে আছেন দাবির প্রতি অনড় হয়ে। আজ বেলা বেড়েছে, সময় পেরিয়েছে কিন্তু ক্লান্তি আসেনি। লোকসমাগম বাড়ছেই। ফুঁসছে তারুণ্যের উচ্ছ্বাস। তাঁদের সঙ্গে অন্যদের মিলনমালায় তৈরি হয়েছে বিশাল এক গণজোয়ার। এতে যেন একাত্তরের সেই গণজাগরণেরই প্রতিধ্বনি। নানা...

চট্টগ্রামে যুদ্ধাপরাধীদের নির্মূলে লড়াইয়ের শপথ

Image
কাদের মোল্লাসহ সব যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির দাবিতে চট্টগ্রামে গণঅবস্থান কর্মসূচি তৃতীয় দিনে পরিণত হয় জনতার সমাবেশে। ...

কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবিতে উত্তাল সারাদেশ

Image
যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশের মানুষ। ...

তবুও ‘নির্বিকার’ গোলাম আযম

যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে শাহবাগ যখন উত্তাল, পাশের শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রিজন সেলে বন্দি গোলাম আযম তখন অনেকটাই ‘নির্লিপ্ত’। ...

বাকি ‘কাজ’ তরুণদের দিলেন যোদ্ধারা

একাত্তরে  মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা পেলেও মুক্তির চেতনা পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয়নি মন্তব্য করে সেই অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়নের দায়িত্ব তরুণ প্রজন্মের কাঁধে তুলে দিলেন রণাঙ্গনের যোদ্ধারা। ...

জেগে ওঠো বাংলাদেশ

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের একটি রায় গোটা বাংলাদেশকে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে সত্যের মুখোমুখি। এ থেকে আমাদের আর পেছনে ফেরার উপায় নেই। সবার কণ্ঠে একটিই দাবি, ‘যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি চাই’। ‘কাদের মোল্লার এই রায় আমরা মানি না’। যাঁরা এত দিন যুদ্ধাপরাধের বিচারকে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক এজেন্ডা বলে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিতে চেয়েছিলেন, যাঁরা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন করে গলা ফাটিয়েছেন, তাঁদের শাহবাগ মোড়ে তরুণদের ক্ষুব্ধ অথচ আশাদীপ্ত মহাগণজাগরণটি দেখে যাওয়ার অনুরোধ করব। যুদ্ধাপরাধের বিচার কোনো দলের এজেন্ডা নয়, সমগ্র জাতির দাবি। সে দাবি এত দিন মেটাতে পারিনি। এখন সময় এসেছে। বিচারের মান নিয়ে যখন পণ্ডিতেরা কূটতর্কে লিপ্ত, রাজনীতিকেরা নানা হিসাব-নিকাশে ব্যস্ত তখন তরুণ প্রজন্মই আলোর নিশানা দেখাল, রাজপথে বাজাল অর্ফিয়্যুসের বাঁশের বাঁশরি। ১৯৯২ সালে শহীদজননী জাহানারা ইমাম সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের যে স্থানটিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন, ২১ বছর পর সেই একই দাবিতে তার পাশেই সমবেত হয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ। গতকাল নগরের ...

ক্রিকেটাররা যাবেন প্রজন্ম চত্বরে

শাহবাগ মোড় থেকে আন্দোলনের ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে সারা দেশে। আর রূপসী বাংলা হোটেল তো শাহবাগ মোড় ঘেঁষাই! হোটেল থেকেই শোনা যায় প্রতিবাদের ধ্বনি, দেখা যায় হাজারো জনতার স্রোত কীভাবে মিশে যাচ্ছে একটিমাত্র স্লোগানে— যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি চাই! চার দিন ধরে প্রতিবাদের আগুনের আঁচ নিতে নিতে প্রতিবাদী হয়ে উঠেছেন শাহরিয়ার নাফীসও। যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে কণ্ঠ মেলাতে চান এই বাঁহাতি ওপেনার। খুলনা রয়েল বেঙ্গলসের এই ক্রিকেটার আজ সপরিবারে যাবেন আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা জানাতে। কাল দুরন্ত রাজশাহীর বিপক্ষে খেলা শেষে প্রসঙ্গটা তুলতেই আবেগপ্রবণ হয়ে উঠল তাঁর কণ্ঠ, ‘আমার বাবা মুক্তিযোদ্ধা। আমার শ্বশুর মুক্তিযোদ্ধা। আমি তো অবশ্যই যাব শাহবাগে। কাল (আজ) স্ত্রী-সন্তানকে নিয়েই যাব। আমিও চাই যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি হোক।’ শাহরিয়ারের খুলনা রয়েল বেঙ্গলস আছে রূপসী বাংলা হোটেলে। এ ছাড়া বাংলাদেশ জাতীয় দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমসহ আরও ক্রিকেটার যেতে পারেন শাহবাগে। মুশফিকের ঘনিষ্ঠ মহল থেকে জানা গেছে, আজ-কালের মধ্যে শাহবাগের জনসমুদ্রে গিয়ে কাদের মোল্লাসহ সব যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির দাবি জানাবেন ...

যুদ্ধাপরাধের বিচার: জাতি কি এই রায়ের জন্য অপেক্ষা করেছিল?

গণহত্যা ও ধর্ষণের ঘটনা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ার পরও কেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ জামায়াতের নেতা ও একাত্তরের নৃশংস হন্তারক কাদের মোল্লাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করলেন, আইনের ছাত্র হিসেবে আমি তার কোনো উত্তর খুঁজে পাচ্ছি না। ট্রাইব্যুনালের বিচারকেরা ফৌজদারি ন্যায়বিচার-ব্যবস্থার নীতিমালার কথা বললেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের নৃশংসতা এবং অপরাধীদের শাস্তির নিশ্চয়তা বিধানের কথা বললেন, অপরাধ ও শাস্তির সমানুপাতিকতার (Proportionality) কথা বললেন। কিন্তু এত এত নীতিমালা, উচ্চ আদালতের রায়ের উদ্ধৃতি ও আইনি আদর্শের কথা বলার পর কী করে ট্রাইব্যুনালের বিচারকেরা কাদের মোল্লাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করলেন? যেখানে বিচারকেরা নিজেরাই বলছেন যে ছয়টি অভিযোগের মধ্যে পাঁচটিই সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। যে পাঁচটি অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে, সেগুলো হচ্ছে: পল্লব হত্যা, কবি মেহেরুননিসা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা, সাংবাদিক খন্দকার আবু তালেব হত্যা, আলুব্দীতে তিন শতাধিক মানুষের হত্যাকাণ্ড, হযরত আলীসহ তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা ও ধর্ষণ। বিচারকেরা তাঁদের রায়ে বলেছে...